ভালো স্টুডেন্ট এর দৈনন্দিন Routine কেমন হওয়া উচিত?(বিস্তারিত)
দৈনন্দিন রুটিন নিয়ে কনফিউশন প্রায় বেশিরভাগ শিক্ষার্থীদের মধ্যেই দেখা যায়। কখন কোন বিষয় নিয়ে ঘাটাঘাটি করলে বেশি effective হবে? কিংবা কোন সাবজেক্ট এ কিরকম সময় দিবো? ইত্যাদি ইত্যাদি। অনেক শিক্ষার্থীরা সিনিয়রদের কাছে পরামর্শ চায় আবার অনেকে অন্যদের রুটিন এর নমুনাও দেখতে চায়। তো রুটিন নিয়ে একটা স্বাভাবিক ধারণা দিতে Royal Desk এর আজকের এই পোস্ট।
শিক্ষার্থীদের দৈনন্দিন রুটিন সাজানোর আগে কিছু বিষয় মাথায় রাখা উচিত। যেমন- এমন রুটিন যেন না হয়ে যায়, যাতে পড়ালেখায় একঘেয়েমি এসে যায়। অন্তত দুইটা বিষয় বা টপিক পড়ার মাঝখানে কিছুক্ষন বিরতি রাখা উচিত। আবার একটি বিষয়ের পড়া যদি খুব লম্বা হয় তার মাঝেও বিরতি রাখা ভাল। এতে ব্রেইন রিফ্রেশমেন্ট এর ব্যাপার টা খুব ভাল হয়। পরবর্তীতে পড়া টা অনেক বেশ effective হয় এর ফলে। পড়ার পাশাপাশি অন্যান্য দৈনন্দিন কাজও সময়মতো রুটিনে add করে নিতে হবে।
কেউ হয়তো প্রাইভেট একেক টাইমে পড়ে আবার অনেকের আলাদা সময়ে ধরাবাধা কিছু কাজ থাকে। তাই সবার মনমতো রুটিন দেওয়া সম্ভব নয়। কিন্তু একজন সাধারণ শিক্ষার্থীর সাজানো গোছানো দৈনন্দিন রুটিন কেমন হওয়া দরকার, তার একটা নমুনা নিচে দেওয়া হলো। কারো যদি এই রুটিনের বাইরে কোনো কাজ থাকে তাহলে সময়সীমা পরিবর্তন করে রুটিনে add করে নিবে।
| Time | Activities |
|---|---|
| 5:30-6:00 am | নামাজ |
| 6:15-8:00 am | টানা পড়া |
| 9:00- 9:30 am | নাস্তা |
| 10:00-12:00 pm | পড়া |
| 12:00-1:00 pm | গোসল ও অন্যান্য কাজ |
| 1:00-2:30 pm | নামাজ,খাওয়া ও অন্যান্য কাজ |
| 3:00-5:00 pm | টানা পড়া |
| 5:00-5:30 pm | বিশ্রাম |
| 5:30-7:00 pm | নামাজ ও পড়া |
| 7:00-7:30 pm | বিশ্রাম |
| 7:30-9:00 pm | পড়া ও নামাজ |
| 9:00-10:00 pm | খাওয়া ও অন্যান্য |
| 10:30-11:30 pm | টানা পড়া |
| 12:00-5:30 pm | ঘুম |
রুটিন Follow করা কেন গুরুত্বপূর্ণ?
এখন অনেকের মনে এই প্রশ্ন আসতেই পারে। আমি নিজের মতো পড়ব, এর জন্য আবার রুটিন মানতে যাব কেন? আসলে ধরা বাধা কোন সময় না থাকলে পড়ালেখার সিরিয়াল ঠিকমতো maintain হয়না। হয়তো যে টপিকে তোমার প্রত্যেকদিন সময় দরকার সে টপিক দেখা যায় তিন দিনেও আর একবার করে ধরা হয়ে ওঠেনা। সিলেবাস সময়মতো শেষ করার জন্য একটা সাজানো রুটিন এর বিকল্প নাই। প্রত্যেকটা ভাল স্টুডেন্ট এরই নিজস্ব একটা রুটিন থাকে। রুটিন মাফিক কাজ করলে দৈনন্দিন কাজের পাশাপাশি জীবন টাও অনেক সাজানো গোছানো হয়ে ওঠে।
শেষ কথা
নমুনা রুটিন টা একটা সাধারণ শিক্ষার্থীর প্রাইভেট, কোচিং কিংবা অন্যান্য কাজের শিডিউল ব্যাতিত। তাই যদি এটার আলোকে কারো রুটিন দরকার হয়, তাহলে এর ভেতর অন্যান্য দৈনন্দিন কাজগুলো যোগ করে নেওয়া যেতে পারে। এরকম আরো গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পেতে আমাদের ফেসবুক পেজ 🚩 টি লাইক করুন। এই পোস্ট সম্পর্কে কোনো মতামত থাকলে অবশ্যই নিচের কমেন্ট বক্স এ জানান।

আজকের আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url